চালু হলো আরো ১৩ জোড়া ট্রেন

38

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর ফের চালু হয়েছে আরো ১৩ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন। দেশজুড়ে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ ১৬ আগস্ট, রবিবার সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল শুরু হয়েছে এসব ট্রেন।

ইতোমধ্যে আজ সকালেই কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকালে পারাবত, চিত্রা, নীলসাগর ও তিস্তা এক্সপ্রেস ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ের কন্ট্রোল রুম সূত্র।

যে ১৩ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল আজ থেকে শুরু হয়েছে, সেগুলো হলো- পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে একতা এক্সপ্রেস, খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে পদ্মা এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেট-সিলেট রুটে পারাবত এক্সপ্রেস, ঢাকা-মোহনগঞ্জ-ঢাকা রুটে হাওড়া এক্সপ্রেস, ঢাকা-তারাকান্দি-ঢাকা রুটে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, রাজশাহী-চিলাহাটী-রাজশাহী রুটে তিতুমীর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে বিজয় এক্সপ্রেস, ঢাকা-নোয়াখালী-ঢাকা রুটে উপকূল এক্সপ্রেস, খুলনা-চিলাহাটি-খুলনা রুটে সীমান্ত এক্সপ্রেস, গোবরা-রাজশাহী-গোবরা রুটে টঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস।

এছাড়া একই দিন ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটে এক জোড়া কমিউটার ট্রেন চলাচলও শুরু হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেশে ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যা থেকে বন্ধ হয়ে যায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। এর দুই মাসের বেশি সময় পর গত ৩১ মে প্রথম দফায় চালু হয় আট জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন। গত ৩ জুন দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয় আরো ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন।

সব মিলিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করছে ৩৪টি ট্রেন। আর আজ থেকে রেলের বহরে যুক্ত হয়েছে আরো ২৬টি ট্রেন। সবমিলিয়ে এখন চলাচল করা ট্রেনের সংখ্যা ৬০টি, অর্থাৎ ৩০ জোড়া ট্রেন ।

দেশজুড়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে সব ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সে লক্ষ্যেই আজ থেকে আরো ১৩ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হলো।

এদিকে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট আগের মতো অনলাইনে ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। যাত্রার দিনসহ পাঁচ দিন পূর্বে আন্তঃনগর ট্রেনসমূহের অগ্রিম টিকিট ইস্যু করা যাবে। যাত্রীদের সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোচের ধারণক্ষমতার শতকরা ৫০ ভাগ টিকিট বিক্রি করা হবে। আন্তনগর ট্রেনে সকল প্রকার স্ট্যান্ডিং টিকিট সম্পন্ন বন্ধ থাকবে।

You might also like