পঞ্চগড়ে বাঘকে ধরতে পরিস্কার করা হচ্ছে জঙ্গল

38

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের মুহুরীজোত গ্রামে টানা ৩ দিনের নতুন আতঙ্কের নাম বাঘ! আর সেই বাঘকে ধরতে প্রশাসন ও বন বিভাগের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। প্রায় চার একর জমির উপর গড়ে উঠা জঙ্গলাকীর্ণ পরিত্যক্ত সেই চা বাগান স্থানীয়দের সহযোগীতায় পরিস্কার করছে প্রশাসন।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, আমরা সেই বাঘগুলোকে জীবিত ধরতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে আমাদের টিম এসেছে। আশাকরি জঙ্গল পরিস্কার হলে বাঘগুলোকে ধরতে আমরা সক্ষম হবো।

সরেজমিনে গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায় মুহুরিজোত গ্রামের জঙ্গলাকীর্ণ চা বাগান থেকে বাঘ ধরতে স্থানীয়দের সহযোগীতায় প্রশাসন ঝোপঝাড় পরিস্কার করছে। তবে ইতিমধ্যে চা বাগানের ঝোপ পরিস্কার করতে গিয়ে ভিতর থেকে মরা পশুর দূগন্ধ পেয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। অন্যদিকে দূর-দূরান্ত থেকে শত শত উৎসুক মানুষ বাঘ দেখতে ভিড় করছে। এদিকে বাঘের হামলায় এক গরুর মৃত্যুর ঘটনার পর স্থানীয়দের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সেই বাঘ দুটিকে আটক করতে তৎপর হয়ে হঠেছে সবাই। তৈরি করা হয়েছে বাঘের খাঁচা।

স্থানীয়রা জানান, ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশর এর পর থেকে সেই চা বাগানে বসবাস করা শুরু করে। এর পর গত বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধায় একটি গরুকে মেরে ফেলার পর বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সবার মধ্যে বাঘ নিয়ে আতঙ্ক শুরু হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানান, আমরা স্থানীয়দের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বাঘ ধরা বা বাঘের অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছেন। আশাকরা যায় সকলের সহযোগীতায় বাঘগুলোকে আমরা ধরতে সক্ষম হবো।

এদিকে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল থেকে মুহুরীজোত গ্রামের সেই জঙ্গলাকীর্ণ পরিত্যক্ত চা বাগান পরিদর্শন করেন পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মদ ও তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুল হক, তেঁতুলিয় মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, সাতমেড়া ও দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

You might also like