
২০২৬
2 বার পড়া হয়েছে
কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চৌহান প্রশ্ন তুলেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর সঙ্গে যা ঘটেছে তা কি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেলাতেও ঘটবে? অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র কি মোদিকে অপহরণ করবে? পৃথ্বীরাজের এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপহাস ও রসিকতার ঝড় তুলেছেন মোদির সমর্থকরা।
এক্স-এ এক পোস্টে পৃথ্বীরাজ লিখেছেন, “৫০ শতাংশ শুল্কের মাধ্যমে বাণিজ্য সম্ভব নয়। বাস্তবে, এটি ভারত-মার্কিন বাণিজ্য, বিশেষ করে ভারত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বন্ধ করার মতো। যেহেতু সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যায় না, তাই বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য শুল্ককে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতকে এর দায় বহন করতে হবে। আমাদের জনগণ আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি থেকে যে মুনাফা অর্জন করেছিল তা আর পাওয়া যাবে না। আমাদের বিকল্প বাজার খুঁজতে হবে এবং সেই দিকে প্রচেষ্টা ইতিমধ্যেই চলছে।”
এরপরই পৃথ্বীরাজ তার প্রশ্ন ছুড়ে দেন। তিনি লিখেছেন, “ট্রাম্প যদি ভারতের সাথেও তাই করেন যা ভেনেজুয়েলার সাথে করেছিলেন? ট্রাম্প কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অপহরণ করবেন?”
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা এসপি বৈদ কংগ্রেস নেতার এই পোস্টের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এটি ‘পুরো দেশের জন্য অপমানজনক।’ অনেকে পৃথ্বীরাজের মন্তব্যকে ‘মস্তিষ্ক মৃত’, ‘অশিক্ষিত’, ‘বোকা’ ইত্যাদি শব্দ দিয়ে বর্ণনা করেছেন।
এসপি বৈদ লিখেছেন, “ভেনেজুয়েলা ও মাদুরোর সাথে ট্রাম্প যা করেছেন, নরেন্দ্র মোদির সাথেও তাই হওয়া উচিত, এই ভাবনা পুরো দেশের জন্য অপমানজনক। অন্তত কথা বলার আগে একবার ভাবুন, পৃথ্বীরাজ চৌহান। নাকি এটাই এখন কংগ্রেসের আসল আদর্শ প্রকাশ্যে আসছে?”