নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ট্রাম্প

46

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তিতে সফলভাবে মধ্যস্থতা করায় ২০২১ সালের নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।

নরওয়েজিয়ান রাজনীতিবিদ ক্রিশ্চান টাইব্রিং-জিজেদে মার্কিন রাষ্ট্রপতির নামটি এগিয়ে রেখেছে। ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার স্কাই নিউজ’র প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

এ বিষয়ে টাইব্রিং-জিজেদে বলেন, ‘তার যোগ্যতার জন্য, আমি মনে করি তিনি শান্তি পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য। অন্যান্য মনোনীত প্রার্থীদের চেয়ে দেশগুলির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আরো বেশি চেষ্টা করেছেন তিনি।’

এদিকে, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এই অনুষ্ঠানে উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান দুই দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেয়ার কথা রয়েছে। শেখ আব্দুল্লাহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজের ভাই।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক টুইট বার্তায় ওই অনুষ্ঠানে নিজের অংশ গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

ওই টুইটে নেতানিয়াহু লিখেছেন, ‘আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা দেয়ার জন্য এবং হোয়াইট হাউজে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে হতে যাওয়া শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মতো ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে আমি গর্বিত।’

প্রসঙ্গত, ১৩ আগস্ট হোয়াইট হাউজ থেকে এই চুক্তির বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হয়। কর্মকর্তারা দীর্ঘ ১৮ মাস আলোচনা করে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হয় উপসাগরীয় দেশ আমিরাত। তবে শর্ত হিসেবে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে দখলকৃত অঞ্চল সম্প্রসারণের কাজ বন্ধ রাখতে রাজি হয় ইসরায়েল।

তবে এই চুক্তির সমালোচনা করেছে ফিলিস্তিনের নেতারা। তারা এটিকে ফিলিস্তিনির জনগণের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও ইরান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশ এই চুক্তির সমালোচনা করেছে।

You might also like