
২০২৬
1 বার পড়া হয়েছে
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। একই সঙ্গে উপদেষ্টাদের অনেকেই তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, 'আমি পাসপোর্ট দিয়ে দিয়েছি। আমি আর কোথাও যাবো না। খুব জরুরি কিছু নেই। সাধারণত জরুরি মিটিং ছাড়া আমি কোনো বৈঠকে যাই না। শুধু আমি নই, আরও অনেকে পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। আমাদের তো এটা দিতেই হবে।'
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে বা নির্বাচনের আগে সরকার যে কোনো চুক্তি করতে যাচ্ছে—তা ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের জন্য চাপ সৃষ্টি করবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের যে চুক্তির কথা বলা হচ্ছে, সে বিষয়ে আমি জানি না। আমেরিকার সঙ্গে ওই বিষয়ে আমি ইনভলভ নই। আমাকে জিজ্ঞেস করে লাভ কী?'
নির্বাচনে গণভোট আয়োজন করতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, 'এক্সাক্টলি কত খরচ হয়েছে তা আমি জানি না। খুব বেশি না। আমাদের মূল নীতি ছিল—নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন হয়। যেমন সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোতে আমরা কোনো কার্পণ্য করিনি। যে টাকা চাওয়া হয়েছে, আমরা দিয়েছি। পরে অতিরিক্ত কিছু টাকা চাওয়া হয়েছে, সেটাও দেওয়ার কথা বলেছি।'
দেড় বছর দায়িত্ব পালন শেষে দেশের অর্থনীতিকে কোন অবস্থায় রেখে যাচ্ছেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, 'আমি মনে করি দেশের অর্থনীতি একটি সন্তোষজনক জায়গায় রেখে যাচ্ছি। সামনে যে সরকার আসবে, তাদের জন্য তেমন কোনো অসুবিধা হবে না।'
‘সন্তোষজনক’ বলতে কী বোঝাচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'সন্তোষজনক মানে স্ট্যাবল বা স্থিতিশীল। অর্থনীতিকে এমন জায়গায় আনা হয়েছে, যেখান থেকে পরবর্তী সরকার সামনে এগিয়ে নিতে পারবে। আগের মতো নড়বড়ে অবস্থায় নেই।'
এই সরকার সর্বোচ্চ ঋণ করেছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'সর্বোচ্চ ঋণ করেছি ঠিকই, কিন্তু সর্বোচ্চ ঋণ শোধও করেছি। প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।'