জিয়ার খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তে আবারও বিএনপির কর্মসূচি

25

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানরে বীর উত্তম খেতাব বাতিলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে আবোরও বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছে দলটি। কর্মসূচির আওতায় আগামী বুধবার বরিশাল বিভাগ ছাড়া সারাদেশে মহানগর ও জেলায় প্রতিবাদ সমাবেশের এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গতকাল শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় দলটির নেতাকর্মীদের। এতে ১৭ জনের বেশি নেতাকর্মী আটক হয়। এসময় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়।

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির এই ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আগামী বুধবার বরিশাল বিভাগ ছাড়া সারাদেশে মহানগর ও জেলায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি বরিশাল সদরে আয়েজিত সমাবেশে দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।’

পরবর্তিতে আরেও কর্মসূচি আসবে কিনা- জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘পরবর্তী ধাপে অবশ্যই আরও কর্মসূচি থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সরকার পতনের আন্দোলন চলছে। বিভাগীয় সমাবেশ শুরু করতে যাচ্ছি। আগামী ১৮ তারিখ বরিশালে আমাদের যে সমাবেশ এটাও তো আমাদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে অনুষ্ঠিত হবে। এভাবে আন্দোলনকে আমরা আমাদের লক্ষ্যে নিয়ে যেতে চাই।’

জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন থেকে জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার সরকারি পরিকল্পনার অংশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি পায়ে পারা দিয়ে ঝগড়া করছে- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রশ্নের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিক) নিজেরাই তো সাক্ষী। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে যে ঘটনা ঘটেছে তাতেই বুঝা যায় ঝগড়াটা কে লাগিয়েছে। এখন তারা আক্রমণ করে যদি বলে আমরা ঝগড়া লাগাচ্ছি- এটার জন্য আমাদেরকে প্রশ্ন না করে বরং তাদের প্রশ্ন করা উচিৎ।’

You might also like