দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করুন : আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের প্রতি পুতিন-ম্যাক্রোঁ

45

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানকে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এর মধ্যেই সরকারি তথ্য মতে, দুই দেশের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ১০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। এরপরও উভয় পক্ষ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইমানুয়েল ম্যাক্রো যুদ্ধরত দুই দেশকে যত দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে উভয় পক্ষের মধ্যে ক্রমান্বয়ে উত্তেজনা কমিয়ে আনা এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বানও জানান এই দুই নেতা।

১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। এমন খবর প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।

ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ম্যাক্রোনের উদ্যোগে এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় যতদ্রুত সম্ভব ওএসসিই মিনস্ক গ্রুপকে শক্তিশালী করতে ভবিষৎ সহযোগিতার জন্য দ্রুত সময়ে মধ্যে একটি কাঠামোরূপ দিতে দুই নেতা এক মত হয়েছেন।

এ বিষয়ে মিনস্ক গ্রুপের সহ-সভাপতিতের পক্ষে রাশিয়া, ফ্রান্স এবং আমেরিকার একটি বিবৃতি দেয়ার জন্য প্রস্তুত। সেখানে তারা অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে দেশ দুটিকে আলোচনা শুরু করার জন্য আহ্বান জানাবে বলে মস্কোর ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে আর্মেনিয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, গত রবিবার স্থানীয় সময় সকালে রাজধানী স্তেপানা কের্তসহ বেশ কিছু এলাকায় হামলা হয়। এর প্রেক্ষিতে মার্শাল ল জারি করে দেশটির সরকার পুরো দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দেয়।

অপরদিকে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলকে ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যাপার নিজের আশাবাদ প্রকাশ করেছেন আজারি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।

অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করে আর্মেনিয় নৃগোষ্ঠী। এ অঞ্চল নিয়ে ৪০ বছর ধরে দুই দেশের বিরোধ চলছে। গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকবার সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে তারা।

নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার পরপরই যুদ্ধবিরতি ও পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার আহ্বান জানায় আর্মেনিয়ার বন্ধু দেশ রাশিয়া। তবে এতে কোনো পক্ষই কর্ণপাত করেনি। উভয় পক্ষই সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এই যুদ্ধ পরিস্থিতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দেন জাতিসংঘ মহাসচিব মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

You might also like