সন্তান জন্মের পর যেভাবে ওজন কমিয়েছিলেন কারিনা

35

বিনোদন ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। দ্বিতীয়বারের মতো মা হতে চলেছেন তিনি। লকডাউনের মধ্যেই এই সুখবর ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন তিনি। প্রথমবার গর্ভধারণের সময়ে বেশ কিছুটা ওজন বেড়েছিল কারিনার। তবে সেই মেদ নিয়ে মোটেই লজ্জ্বা পাননি বেবো বেগম। বরং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বেবি বাম্প নিয়ে কফি উইথ করণে হাজির হয়েছিলেন তিনি। মুখেও জমেছিল মেদ। তবে সেসব তোয়াক্কা করেননি অভিনেত্রী।

তৈমুর জন্মানোর পরে পুরনো ত্বন্বী চেহারায় তার ফিরতেও বেশি সময় লাগেনি। ছবির শুটিং এর জন্য ওজন কমানো তখন তার প্রয়োজন ছিল। ওজন কমানোর জন্য তিনি নিয়েছিলেন এক অভিনব কৌশল।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে, কোনো তাড়াহুড়ো করেননি কারিনা। প্রসবের প্রায় ৪০ দিন পর থেকে ওজন কমানোর জন্য সচেষ্ট হয়েছিলেন অভিনেত্রী। হালকা এক্সারসাইজের পাশাপাশি যোগ ব্যয়ামও শুরু করেছিলেন। পেটের মেদ কমানোর জন্য বিশেষ ব্যয়াম শুরু করেছিলেন প্রসবের ৪০দিন পরে। সেই সঙ্গে ডায়েটিসিয়ান রুজুতা দিওয়াকরের পরামর্শও মেনে চলেছিলেন তিনি।

এইসব কৌশলে প্রথমে ১২ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন কারিনা। কারণ তার কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছিল ‘ভিরে দি ওয়েডিং’ এর শুটিং। আর শুটিং শুরুর পরেই শরীরচর্চা ও সঠিক ডায়েট মেনে ওজন কমিয়েছিলেন তিনি।

ডায়েটিশিয়ান রুজুতা দিওয়াকর জানিয়েছিলেন, কারিনা তাকে বলেছিলেন, তিনি রাতারাতি রোগা হতে চান না। কারণ নিছক ওজন কমানো তার লক্ষ্য নয়। তিনি চান ভালো থাকতে, খুশি থাকতে, এবং এনার্জেটিক হয়ে উঠতে।

রুজুতা জানিয়েছিলেন, সন্তানের জন্মের পরে যেভাবে ধীরে ধীরে ওজন কমানোর পরিকল্পনা করেছিলেন কারিনা, তা বেশ অভিনব। কারণ অধিকাংশ নায়িকাই নাকি তড়িঘড়ি রোগা হতে চান। অথচ গর্ভধারণের পরে ধীরে ধীরে ওজন কমানোই রোগা হওয়ার স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি।

You might also like