শিরোনাম:

ঘুষ দিতে না পারায় মুভমেন্ট পাশসহ শতাধিক শ্রমিক আটক!

টিকিট না পেয়ে সোনারগাঁও হোটেলের সামনে সৌদিগামীদের বিক্ষোভ

হাসপাতালের ১১তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে করোনা রোগীর আত্মহত্যা!

স্বর্ণের দাম বাড়ল

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কবরী

টেক্সাসে ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার: পাবনায় স্বজনদের শোকের মাতম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : এপ্রিল ৬, ২০২১

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একই পরিবারের ছয় জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের পাবনায় নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মাঝে চলছে শোকের মাতম।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে এই খবর জানাজানি হলে নিস্তব্ধতা নেমে আসে পাবনা শহরের দোহারপাড়ায় এলাকায়। এর আগে সোমবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাতটার দিকে তারা মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিহতদের স্বজন ও বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশীরা পাবনার গ্রামের বাড়িতে ভিড় জমায়। স্বজনদের শান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। পুরো পুরবারের মৃত‌্যুর ঘটনা কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছেন না স্বজনরা।

মঙ্গলবার বিকেলে দোহারপাড়া এলাকার নিহতদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, চারিদিকে সুনশান নীরবতা। দোতলা বাড়িটিতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন নিহত আলতাফুন্নেসার ছেলে ও স্বজনরা। বাড়ির চত্বরে বসে আছেন প্রতিবেশিসহ অনেকেই।

এ বিষয়ে কথা হয় নিহত আলতাফুন্নেসার ছেলে আরিফুর রহমান আলিফ ও আবুল কালাম আজাদ হিরকের সঙ্গে।

তারা জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় স্ব-পরিবারে বসবাস করেন সিটি ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট তৌহিদুল ইসলাম। স্ত্রী আইরিন ইসলাম ওরফে নীলা তৌহিদ, তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে তানভীর তাওহীদ, ও জমজ ভাইবোন ফারহান তৌহিদ ও ফারবিন তৌহিদ। সুখে শান্তিতেই বসবাস করছিলেন তারা। তৌহিদুল ইসলামের শাশুড়ি অর্থাৎ আইরিন ইসলামের বৃদ্ধা মা আলতাফুন্নেসাও তাদের সঙ্গে টেক্সাসে ছিলেন।

আরিফুর রহমান আলিফ জানান, গত ২ এপ্রিল রাতে তার মা আলতাফুন্নেসার সঙ্গে মোবাইলে শেষ কথা হয় তাদের। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। গত ১ এপ্রিল পাবনায় ফেরার কথা ছিল আলতাফুন্নেসার। করোনার কারণে সেই ফ্লাইট বাতিল হয়ে পরবর্তীতে ৭ এপ্রিল দেশে আসার দিন ঠিক হয়। কিন্তু তার আগেই নৃশংসভাবে খুনের শিকার হলেন তার মাসহ সবাই।

আবুল কালাম আজাদ হিরক জানান, পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় আইরিন ইসলাম। ২০০৮ সাল থেকে তার মা আমেরিকায় মেয়ের বাড়িতে যাতায়াত করছেন। ২০১৯ সালে তিনি সর্বশেষ আমেরিকায় গিয়ে সেখানেই অবস্থান করছিলেন। ২০১২ সালে তার বোন আইরিন ইসলাম সর্বশেষ দেশে এসেছিলেন। আজ আকস্মিকভাবে পরিবারের ছয় জনের মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা

পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
  • সর্বাধিক পঠিত