শিরোনাম:

ক্যামেরার সামনে পোশাক বদলালেন মধুমিতা ‘পাখি’ তুমুল ভাইরাল ভিডিও

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডু নট ট্রাভেল’ তালিকায় বাংলাদেশ

ভারত ছাড়া ৬ দেশকে নিয়ে চীনের জোট প্রস্তাব, রাজি বাংলাদেশ

বাদাম খেলে নির্মূল হবে ডায়াবেটিস, কখন কিভাবে খাবেন ?

ব্রিটেনের জন্য মরেও বর্ণবাদের শিকার

অবশেষে মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২১

শেয়ার করুন

বিনোদন ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি অনুষ্ঠানে মোবাইল চুরির ঘটনায় সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলায় অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার মানহানি মামলার সাক্ষী খুঁজে পাওয়া যায়নি। মানহানি মামলা থেকে শমী কায়সারকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক লুৎফর রহমান। প্রতিবেদনের ওপর শুনানির জন্য ৪ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত।

পিবিআইয়ের পরিদর্শক লুৎফর রহমান বলেন, মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে কোনও সাক্ষী খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে শমী কায়সারকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর মামলার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান। ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর বাদী স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা নুজহাতুল হাচান পুলিশের দেয়া প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেন। নারাজি শুনানি শেষে আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেয়।

পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে পরিদর্শক লুৎফর রহমান উল্লেখ করেন, শমী কায়সারের বক্তব্যে কোনও মানহানিকর ঘটনা ঘটেনি। মামলার বাদী এ বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেননি।

২০১৯ সালের ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটন বিষয়ক সাইট ‘বিন্দু ৩৬৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল চুরি হয়। ওই অনুষ্ঠানে অর্ধশত ক্যামেরাম্যান ছাড়াও শতাধিক মানুষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

শমী কায়সার অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছেন। তিনি তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশিও করান। কেউ ঘটনাস্থল থেকে বের হতে চাইলে তাদের ‘চোর’ বলে ওঠেন শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে সংবাদকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হন। অনুষ্ঠানস্থলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসা লাইটিংয়ের এক কর্মী স্মার্টফোন দুটি নিয়ে গেছেন।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমন বক্তব্যের জন্য তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতিও দেয় সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
  • সর্বাধিক পঠিত