শিরোনাম:

বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানালো ভারত

রাশিয়া আনল করোনার সব ধরনের ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে ‘কার্যকর’ টিকা

নাটোরে ১৯৯ অসচ্ছল সাংস্কৃতিক কর্মীকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

করোনায় মারা গেলেন অভিনেত্রী অভিলাষা পাতিল

১৫ মে বাজারে আসছে রাজশাহীর আম

যেকোনো উপায়েই করোনা টিকা সংগ্রহ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : মে ২, ২০২১

শেয়ার করুন

করোনা মহামারি মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে নিম্ন-আয়ের প্রায় সাড়ে ৩৬ লাখ পরিবারের মাঝে নগদ ২৫০০ টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের জীবন রক্ষায় যেকোনো উপায়েই হোক করোনার টিকা সংগ্রহ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আরও বেশি টিকা নিয়ে আসছি। যত টাকাই লাগুক না কেন, আমরা আরও ভ্যাকসিন নিয়ে আসব।’

করোনা মহামারি মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে নিম্ন-আয়ের প্রায় সাড়ে ৩৬ লাখ পরিবারের মাঝে নগদ ২৫০০ টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে ভোলা, জয়পুরহাট ও চট্টগ্রামের ডিসিরা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই আর্থিক সহায়তা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদ, বিকাশ, রকেট ও শিউরক্যাশের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মাঝে সরাসরি পৌঁছে যাবে।

যতক্ষণ করোনার টিকা বাজারে আছে, ততক্ষণ সরকার তার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকটা ভ্যাকসিনের ডোজ অর্থ খরচ করে সংগ্রহ করছি। কিন্তু জনগণের জীবন বাঁচাতে আমরা এ সকল ভ্যাকসিন বিনামূলে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী সকলকে সতর্ক করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, করোনার টিকা নেওয়া হোক বা না নেওয়া হোক, করোনা থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

পরে প্রধানমন্ত্রী ভোলা, জয়পুরহাট ও চট্টগ্রামের অর্থ সহায়তাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেন।

ইতোমধ্যেই করোনায় দ্বিতীয় ঢেউয়ে প্রান্তিক জনগণের কষ্ট-দুর্দশা দূর করতে সরকার ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হবার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে জনগণকে অর্থসহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

দেশে গত ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করার পর কর্মহীন হয়ে পড়ে সমাজের খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রান্তিক শ্রেণির অসহায় জনগণের জীবিকা নিশ্চিত করতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবেই মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনকে ৫৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়।

অন্যান্য অর্থ সহায়তার পাশাপাশি হতদরিদ্র মানুষের জরুরি সাহায্যের জন্য প্রত্যেক জেলার ডিসিদের প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এছাড়া, করোনার আঘাতে কর্মহীন হয়ে পড়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই নিজ উদ্যোগে ১০ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত