শিরোনাম:

ঘুষ দিতে না পারায় মুভমেন্ট পাশসহ শতাধিক শ্রমিক আটক!

টিকিট না পেয়ে সোনারগাঁও হোটেলের সামনে সৌদিগামীদের বিক্ষোভ

হাসপাতালের ১১তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে করোনা রোগীর আত্মহত্যা!

স্বর্ণের দাম বাড়ল

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কবরী

পেশা বদলে ছিনতাইকারী বাসযাত্রীদের টার্গেট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : মার্চ ৫, ২০২১

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

করোনায় বদলে ফেলেন পেশা। কারণ মহামারী পরিস্থিতিতে কমে গেছে আয় রোজগার। তাই নতুন কোনো কর্ম না করে জড়িয়ে পড়েন অপরাধে। নাম লেখান ছিনতাই ও মলমপার্টির কারবারে। মলমপার্টির এ সক্রিয় সদস্যরা একত্রিত হয়ে কৌশলে সহজ-সরল যাত্রীদের টার্গেট করে চেতনানাশক ওষুধ ও মলম প্রয়োগ করে টাকা ও মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেয়। অনেক বাসে অপারেশন করে সেই বাসের কন্ট্রাক্টর অবগত থাকেন। তাকেও এ টাকার ভাগ দেওয়া হয়। এমন অভিযোগ ভিত্তিতে রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাহপুর থেকে অভিযান চালিয়ে ছিনতাই চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃস্পতিবার দুপুরে সিআইডির সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির ঢাকা মেট্রোর অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক।

গ্রেফতাররা হলো মূলহোতা স্বপন (৫২), ফিরোজ (৪০), মাসুদ রানা (৫১), শহীদুল ইসলাম (৫১), জাকির হোসেন জাকির (৫৫), শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল (৩৩) ও হাবিবুর রহমান সিরাজ ওরফে সিরাজ মুন্সী (৫০)। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে চারটি প্লাস্টিকের ছোট কৌটা ভর্তি মলম, ছোট একটি প্লাস্টিকের কৌটায় টাইগার বাম জাতীয় মলম, একটি স্টিলের ছোট কাঁচি, ১০টি ঘুমের ওষুধ জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ ওমর ফারুক বলেন, গ্রেফতাররা আগে অন্যান্য পেশায় যুক্ত ছিলেন। কিন্তু আয়-রোজগার কম হওয়ায় ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দ্রুত বেশি টাকা আয় করার জন্য যুক্ত হয় মলমপার্টিতে। মলমপার্টির এ সক্রিয় সদস্যরা একত্রিত হয়ে কৌশলে সহজ-সরল যাত্রীদের টার্গেট করে চেতনানাশক ওষুধ ও মলম প্রয়োগ করে টাকা ও মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেয়।

তিনি বলেন, চক্রটি কোথাও অভিযান চালানোর আগে তারা রেকি করে নেয়। এ ছাড়া তারা যে বাসে অপারেশন করে সেই বাসের কন্ট্রাক্টরও অনেক সময় বিষয়টি অবগত থাকেন। তাকেও এ টাকার ভাগ দেওয়া হয়।

ওমর ফারুক বলেন, অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা কেউ ১৪ বছর, কেউ এক-দুই মাস ধরে কাজ করছে। চক্রে এমনও সদস্য আছে যে আগে দোকানের কর্মচারী ছিল, কেউবা ফটোগ্রাফার ছিল। তারা কম পরিশ্রমে বেশি টাকা আয় করার লোভে এ পেশায় এসেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, মলমপার্টির সংখ্যা কত এমন পরিসংখ্যান এ মুহূর্তে আমার কাছে নেই। তবে আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করব।

এ চক্রের আটজন সদস্য ছিল। তাদের মধ্যে একজন পালিয়ে গেছেন, যোগ করেন সিআইডির এ কর্মকর্তা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার খালিদুল হক হাওলাদার, সহকারী মোহাম্মদ জহিরুল হক ও এএসপি (মিডিয়া) জিসানুল হক।

পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
  • সর্বাধিক পঠিত