শিরোনাম:

করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে ঢাকার ১৭ থানা

‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ থাকবে’

লকডাউনে বৃহত্তর স্বার্থে ঘরে থাকার আহ্বান কাদেরের

মিতা হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

না.গঞ্জে সহিংসতাকারীদের ধরতে পুলিশের বিশেষ কৌশল!

ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : অক্টোবর ২৮, ২০২০

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী মো. জাহিদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে দুইটি করে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর চকবাজার থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে এ মামলা চারটি দায়ের করে। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার মামলা দায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিয়োগের ভিত্তিতে আমরা ইরফান সেলিমের বাসায় অভিযান পরিচালনা করি। অভিযান সেখান থেকে বিভিন্ন অনুমোদনহীন জিনিস জব্দ করা হয়। এর মধ্যে দুইটি অবৈধ বিদেশি অস্ত্র, একটি এয়ারগান ও বেশ কিছু বিদেশি মদ ও ইয়াবা রয়েছে। এছাড়াও ৩৮টি ওয়াকিটকি সেট ও তিনটি ভিএইচএফ (ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি) ওয়াকিটকি বেজ স্টেশন জব্দ করা হয়।

অভিযানে কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইরফান সেলিমকে মাদক সেবন ও বেআইনিভাবে ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৮ মাসের সাজা দিয়েছেন। এছাড়াও ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদকে বেআইনি ওয়াকিটকি ব্যবহারের জন্য ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আশিক বিল্লাহ আরও বলেন, ইরফানের বাসা থেকে জব্দ হওয়া দুইটি বিদেশি পিস্তল ও মাদকদ্রব্যের বিষয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় গ্রেফতার ইরফানের বিরুদ্ধে র‌্যাব বাদী হয়ে  অস্ত্র ও মাদক আইনে দুইটি এবং দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে একই আইনে দুইটি করে মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া গত ২৫ অক্টোবর রাতে ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট ওয়াসিম খানকে মারধর করেন সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের গাড়িতে থাকা লোকজন। পরদিন ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই নৌবাহিনীর কর্মকর্তা। মামলায় মোহাম্মদ ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী জাহিদ, মদিনা ডেভেলপারসের প্রটকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক ও গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা তিন জনকে আসামি করা হয়।

লেফট্যানেন্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, নৌবাহিনীর কর্মকর্তার করা ওই মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান ও তার দেহরক্ষীকে শন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। এছাড়া এজাহার নামীয় অন্য দুই আসামিও গ্রেফতার হয়েছে।

ভিএইচএফ ওয়াকিটকি বেজ স্টেশনটি মূলত এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার‌্যক্রম এবং আধিপত্য বিস্তারের জন্য নিজের খরচে অবৈধভাবে এটি স্থাপন করেছিলেন ইরফান।

পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
  • সর্বাধিক পঠিত