শিরোনাম:

চীনের টিকা নিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত ৩৫০ চিকিৎসক

বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক ‘সিংকহোল’, হঠাৎ করেই তৈরি হচ্ছে দানবীয় গর্ত

ধর্ষণ মামলায় লড়বেন মিথিলা

বিজ্ঞানীদের হতবাক করে ২৪ হাজার বছর পর ঘুম ভাঙল এই প্রাণীর

ভারতীয় ছেলেরা হট নয়, তাই ডেটিংয়েরও উপযুক্ত নাঃ শ্রীলেখা

আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : মে ১৪, ২০২১

শেয়ার করুন

এক মাস সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে বিদায় নিলো হিজরি মাস রমজান। দেশের আকাশে দেখা দিয়েছে শাওয়াল মাসের চাঁদ। তাই আজ শুক্রবার (১৪ মে) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

ঈদ মানেই পরম আনন্দ। ঈদ মানেই নতুন জামাকাপড়। ঈদ মানে আত্মীয়-স্বজন আর বন্ধুদের মিলনমেলা, হৈ-হুল্লোড়, ঘুরে বেড়ানো, খাওয়া-দাওয়া আর আড্ডা। এ উৎসবে মুসলমানরা ঈদগাহে কোলাকুলি ও করমর্দন করে থাকেন।

এছাড়া সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, ভালোবাসার বন্ধনে সবাইকে নতুন করে আবদ্ধ করাও ঈদের অন্যতম অর্থ। ঈদ মানে ভোগান্তিকে সঙ্গী করে নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে একত্রিত হওয়া। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এবারের ঈদ আনন্দের সবকিছুতেই যেন ভাটা পড়েছে।

ঈদের নামাজ একটি বড় উৎসব। এদিন ছেলে, বুড়ো, পাড়া-প্রতিবেশী সবাই দল বেঁধে ঈদের নামাজ পড়তে ঈদগাহে যান। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময়, করমর্দন, কোলাকুলি করেন। সকল ভেদাভেদ ভুলে হাতে হাতে রাখার দৃঢ় প্রত্যয় নেন। কিন্তু করোনার স্বাস্থ্যবিধিতে এবারও তা হচ্ছে না। এবারের ঈদে নামাজ শেষে করা যাবে না চিরাচরিত কোলাকুলি, করমর্দন। উন্মুক্ত স্থানে জনসমাগম করা যাবে না। তাই ঈদের নামাজ পড়তে হবে মসজিদে মসজিদে।

সময় ভাগ করে একাধিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই নামাজ আদায় করতে হবে। যে এলাকায় করোনার প্রাদুর্ভাব নেই সেই এলাকায় হয়তো স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে ঈদগাহে জামাত হতে পারে। কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা মেনে করা যাবে না কোলাকুলি, করমর্দন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রথম রমজান থেকে সরকারি বিধিনিষেধ চলছে। যা ঈদের পরেও বহাল থাকছে বলে আভাস দিয়েছে সরকার। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঈদযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার সব ধরনের গণপরিবহন। তাই নাড়ির টানে গ্রামে গিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে একত্র হওয়াতে ছেদ পড়েছে। যদিও সরকারি বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে নজরবিহীন ভোগান্তিকে সঙ্গী করে গ্রামের বাড়িতে গেছেন অনেক মানুষ। তবে অনেকেই কর্মস্থলে থাকছেন।

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, পূর্ণমাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ মুসলমান জাতির প্রতি মহান আল্লাহ তায়ালার এক বিরাট নিয়ামত। এই উৎসবেই ধনী-গরিব, শত্রু-মিত্র সবাই ভালোবাসা-মমতার বাহুডোরে অনাবিল আনন্দ-উৎসবে মিলেমিশে যায়। নজরুলের ভাষায়, ‘আজ ভুলে যা তোর দোস্ত-দুশমণ, হাত মেলাও হাতে,তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ। ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।’

সোনারদেশ টোয়েন্টিফোর ডট কম-এর পক্ষ থেকে আমাদের সকল পাঠক, সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা; ঈদ মোবারক।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত