শিরোনাম:

আজকের রাশি। ১২ মে

উৎসব ভাতা থেকে বঞ্চিত ৭০ ভাগ সাংবাদিক

কোভিডের চিকিৎসায় আইভারমেক্টিন ব্যবহারে সতর্ক করল হু

গাড়ির কাঁচ ভেঙে বাঁচার আকুতি জানালেও কেউ এগিয়ে আসেনি

রাশিয়ার স্কুলে বন্দুক হামলা, নিহত ১১

৪৫ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে রিজার্ভ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : মে ৪, ২০২১

শেয়ার করুন

করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ বিলিয়ন (৪ হাজার ৫০০ কোটি) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

সোমবার (৩ মে) বাংলাদেশ ব‌্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম এ বিষয়টি গণমাধ‌্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, সামনে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে প্রবাসীরা বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। তাদের রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই রিজার্ভ বাড়ছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩ মে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন অর্থাৎ চার হাজার ৫১০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ তিন লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসাবে মজুত এ বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে প্রায় ১১ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

এর আগে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৪.০২ বিলিয়ন (৪ হাজার ৪০২ কোটি) ডলার। আর ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ৪২ বিলিয়ন এবং ২৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ইরান ও মালদ্বীপ— এ ৯টি দেশ বর্তমানে আকু’র সদস্য। এ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পরপর আকু’র মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়। আকু’র বিল পরিশোধ করলে রিজার্ভ কিছুটা কমে যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের ১০ মাসে রেমিট্যান্স দুই হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে কোনো অর্থবছরে এতো পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।

২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি এক শতাংশ দেওয়ার সুবিধা দিচ্ছে। এতে করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত