
২০২৬
16 বার পড়া হয়েছে
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মোটরসাইকেলটি উদ্ধারের পর তা রাজধানীর উত্তরখান থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ছায়াতদন্তে নৌ পুলিশকে সহায়তা করছে পিবিআই।
পিবিআই সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানান, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না তা যাচাই করা হচ্ছে, তবে প্রাথমিকভাবে এটি তারই বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিখোঁজ হওয়ার আগে সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের ব্যবহৃত বাইকটির পেছনে কোনো নম্বরপ্লেট দেখা যায়নি; উদ্ধার হওয়া গাড়িটিতেও কোনো নম্বরপ্লেট মেলেনি।
পিবিআইয়ের তদন্ত সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, যে রাজবাড়ী ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি মূলত চিহ্নিত মাদক স্পট। পুলিশের ধারণা, মাদক কারবারিদের কিংবা কোনো দলের ধাওয়া খেয়ে তাহসিফ আত্মরক্ষার্থে নদে ঝাঁপ দিয়ে পানিতে ডুবে মারা যেতে পারেন।
তবে দীপকে নিয়ে রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পর তিনি দাবি করেন, ধাওয়াকারীরা সাধারণ অপরাধী নয়, বরং পুলিশের লোক ছিল। দীপের এই বিস্ফোরক দাবিসহ পুরো বক্তব্য এখন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
সিসিটিভি ফুটেজ ও পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উত্তরার বাসা থেকে নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন তাহসিফ। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের মুঠোফোনে শেষ ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে জানিয়েছিলেন তিনি দ্রুত ফিরছেন, কিন্তু এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়। পরদিন বুধবার বিকেলে তুরাগ নদের রাজবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। লাশ উদ্ধারের সময় হাতঘড়ি ও পকেটের সামগ্রী মিললেও তার বাইকটি নিখোঁজ ছিল।
মৃত্যুরহস্যের জট খুলতে বৃহস্পতিবার রাতে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে তাহসিফের ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ দীপকে হেফাজতে নেয় পিবিআই মেট্রো উত্তর। উত্তরার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল, রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের গ্যারেজের সামনে দীপের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আলাদা দুটি বাইকে এলাকা ছাড়েন তাহসিফ।