
২০২৬
21 বার পড়া হয়েছে
ঘটনার পরপরই ইনাবার এক বন্ধু পুলিশে খবর দেন। তিনি জানান, ওপর থেকে কেউ একজন তার বন্ধুর ওপর পড়ে তাকে গুরুতর জখম করেছেন। পুলিশ এসে দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হেমোরেজিক শকে (রক্তক্ষরণজনিত অভিঘাত) আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ইনাবা মারা যান। অন্যদিকে, ওপর থেকে পড়া যুবক তাগুচি এখনো অচেতন এবং তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি যে তাগুচি ভবন থেকে দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়েছিলেন নাকি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পুলিশ বর্তমানে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
জাপানে এই ধরনের দুর্ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও দেশটিতে ওপর থেকে পড়ে পথচারী নিহত হওয়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ইয়োকোহামা স্টেশনের পাশের একটি ভবন থেকে ১৭ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী নিচে পড়লে ৩২ বছর বয়সী এক নারী পথচারী প্রাণ হারান।
একইভাবে ২০২০ সালের অক্টোবরে ওসাকায় এক কিশোর একটি বাণিজ্যিক ভবন থেকে ঝাঁপ দিলে নিচে থাকা ১৯ বছর বয়সী এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ওপর আছড়ে পড়েন। ওই ঘটনায় দুজনই নিহত হয়েছিলেন। ঘনবসতিপূর্ণ এবং বহুতল ভবনবেষ্টিত জাপানের শহরগুলোতে এ ধরনের ঘটনা জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।