বৃহস্পতিবার , ৬ই আগস্ট,
২০২৬

  • আন্তর্জাতিক

  • হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান


    সোনারদেশ ২৪ ডেস্ক


    বৃহস্পতিবার , ৬ই আগস্ট,

    ২০২৬

    /

    6 বার পড়া হয়েছে


    a

    সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ


    হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই বলেন, এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।


    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


    বাকেই বলেন, ওমানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলেও প্রণালিটি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচলের নিশ্চয়তা মিলবে না। কারণ, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে নিরাপত্তা এখনও বিঘ্নিত হচ্ছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এবং ওমান এ প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।


    গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকে তেহরান হরমুজ প্রণালি প্রায় পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের দামে ব্যাপক ওঠানামা দেখা গেছে।


    মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, প্রণালিটি ‘খুব শিগগিরই’ খুলে না দেওয়া হলে ইরান ‘ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে।


    মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে নৌপথটি পুনরায় চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা এগিয়েছে। যদিও ইরান বরাবরই বলে আসছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করছে না এবং এমন কোনো পরিকল্পনাও তাদের নেই।


    দুই দেশের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যেই ট্রাম্পের এ বক্তব্য সামনে এসেছে। উভয় দেশ ও মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে আলোচনায় প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে।


    ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ওমানের সঙ্গে ‘পথটির ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক’ নিয়ে সমঝোতা হয়েছে।


    ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাকেই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালিকে নিরাপত্তাহীন করে তোলার কারণগুলো এখনও বিদ্যমান। বিশেষ করে ইরান ও তার স্বার্থের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ এবং অন্যান্য আগ্রাসী ও হুমকিমূলক পদক্ষেপ এখনও অব্যাহত রয়েছে।


    পরে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী ইরনাকে বলেন, নতুন এ পথটি অস্থায়ী হবে। এটি দুই থেকে চার মাস পর্যন্ত খোলা থাকতে পারে। তবে তিনি এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।


    যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রণালিটি দিয়ে নৌচলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মতবিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ হলো, প্রণালিটি অতিক্রম করতে ইচ্ছুক জাহাজগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের ইরানের হুমকি।


    একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান প্রণালিটি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর পণ্যমূল্যের ওপর ৫ থেকে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের দাবি করছে। ওমান প্রায় ৩ শতাংশ শুল্ক নিয়ে আলোচনা করছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন কোনো শুল্কই চায় না।


    রয়টার্স জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এ চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর ওপরও তেহরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে।


    সংবাদটি শেয়ার করুন


    সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জিয়াউল হক
    নির্বাহী সম্পাদকঃ মোস্তাক আহম্মেদ নওশাদ


    যোগাযোগ- মুজিব সড়ক, কমিউনিটি হাসপাতাল ৫ তলা, সিরাজগঞ্জ
    ইমেইল- sonardesh24.corr@gmail.com
    মোবাইল : 01324 977 175, 01716-076444




    Copyright © 2026 - All right reserved by Sonar Desh 24 Ltd