
২০২৬
27 বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ১০ নম্বর সায়দাবাদ ইউনিয়নে ১১ দলের লংমার্চকে কেন্দ্র করে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলার পর উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জেলা আমির আমির মাওলানা শাহিনুর আলম ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এবং সদর উপজেলা আমির এ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার(২৪ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে অবিলম্বে এই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ দলের ঢাকা টু রংপুর শান্তিপূর্ণ লংমার্চ চলাকালে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নানা ধরনের উসকানিমূলক ও আপত্তিকর স্লোগান দিতে থাকে। এর প্রতিবাদ করলে তারা জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয় এবং একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সায়দাবাদ ইউনিয়নের সাবেক আমির আব্দুস সবুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত ও আহত করে। এ ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অপরাধের প্রেক্ষিতে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হয়।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, উক্ত মামলার এজাহারনামীয় মূল আসামিরা দলীয় রাজনৈতিক দাপট ও প্রভাব খাটিয়ে আদালত থেকে জামিনে বের হয়েই নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে ও জামায়াতের ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে তারা নিজেদের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা ভিডিও প্রচার করেছে।
ছাত্রদলের ইউনিয়ন সেক্রেটারি পারভেজ সরকার ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, রাত ১১টার দিকে পুলিশের সামনে জামায়াতের নেতাকর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। অথচ ওই ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কারও দূরতম সম্পৃক্ততা নেই এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলে তারা ব্যবস্থা নিয়েছে ।
আমরা দেখছি যে, এই সাজানো ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি বানোয়াট, মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। যাদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে তারা কেহই এই ঘটনার সাথে জড়িত নয় বা এধরণের কোন ঘটনা সংগঠিত হয়নি। ফেসবুক লাইভে বলা হলো পুলিশকে সাথে নিয়ে ঘঠনা সংগঠিত হয়েছে। তাহলে পুলিশ কি ঘটনা সম্পর্কে কোন বিবৃতি দিয়েছে? না, দেয়নি। পুলিশ কি ঘটনার সময় কাউকে গ্রেফতার করেছে ? না, করেনি।
সুতরাং আমরা মনে করি পুরাতন ফ্যাসিবাদের আদলে সরকারী দলের অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার লক্ষে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশও কেন মিথ্যা মামলা রেকর্ড করল এজন্য তাদেরকে জবাবদিহির আওতায় আনার আহবান জানান।