সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর,
২০২৬

  • শিক্ষা

  • বাকৃবি ক্যাম্পাসে পরপর চুরি-ছিনতাই, প্রশাসনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের


    সোনারদেশ ২৪ ডেস্ক


    সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর,

    ২০২৬

    /

    22 বার পড়া হয়েছে


    a

    সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ


    নেপালি শিক্ষার্থীর ফোন চুরি

    পরপর এসব ঘটনায় আবাসিক হলগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীর অভাব ও নজরদারিতায় দায়িত্বহীনতার কারণে এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে। বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশনকে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানানো হলেও নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। সার্বিক পরিস্থিতিতে চরম অনিরাপত্তায় ও উদ্বিগ্নতায় ভুগছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, সম্প্রতি আবাসিক হলগুলোতে বেশ কিছু চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভায় আলোচনা হয়েছে। ক্যাম্পাসে দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে। হলগুলোর পেছনের অংশে আলোর স্বল্পতা আছে কি না, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হল প্রশাসনকেও নিজ নিজ দায়িত্বে কোনো ধরনের গাফিলতি না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, ফজলুল হক হলের শিক্ষার্থী সোয়াইব বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হলের পেছনের অংশ নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। দেওয়ালের কাঁটাতার দ্রুত মেরামত করতে হবে। পুরো হলকে সিসিটিভির আওতায় আনার পাশাপাশি পেছনের গেটে সার্বক্ষণিক একজন নিরাপত্তাকর্মী রাখলে ভালো হয় 

    অন্যদিকে, গত ২২ আগস্ট মাওলানা ভাসানী হলে ‘এ’ ব্লকের ১০৫ নম্বর কক্ষে থাকা নেপালি শিক্ষার্থীদের দুটি ফোন চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি ফোন ২৪ আগস্ট অজ্ঞাতভাবে ফেরত পাওয়া গেলেও ওই শিক্ষার্থীদের মানিব্যাগ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া গত ১৫ মে ছাত্রীদের কৃষিকন্যা হলের এক রুমের ছাদের সিলিং ভেঙ্গে চুরির ঘটনা ঘটে। এই রাতে ছাত্রদের হোসের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ডি ব্লকের ৪৪০ ও ৪৪১ নম্বর কক্ষে জানালার স্টিরের শিক কেটে চুরির ঘটনা ঘটে।

    এছাড়াও শামসুল হক হলের শিক্ষার্থী দিগন্ত বলেন, হলে কার্যকর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা জরুরি। বিশেষ করে হলের পেছনের অংশ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীন। ওই অংশের বাউন্ডারি টপকে সহজেই হলে প্রবেশ করা সম্ভব। তাই সেখানে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ এস এম খায়রুল ফাত্তাহ বলেন, বৈশাখী চত্বর ও বোটানিক্যাল গার্ডেনে ছিনতাইয়ের ঘটনায় একই ব্যক্তি জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ৭-৮টি মামলা রয়েছে এবং তিনি জামিনে ছিলেন। প্রথম ঘটনার পর পর্যাপ্ত প্রমাণ ও বাদী না থাকায় তাকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দিতে হয়েছিল। বর্তমানে অপরাধ দমনে প্রক্টর অফিসের সঙ্গে যৌথভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক টহলের জন্য একটি স্থায়ী পুলিশ টিম মোতায়েনের চেষ্টা চলছে। 



    সংবাদটি শেয়ার করুন


    সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জিয়াউল হক
    নির্বাহী সম্পাদকঃ মোস্তাক আহম্মেদ নওশাদ


    যোগাযোগ- মুজিব সড়ক, কমিউনিটি হাসপাতাল ৫ তলা, সিরাজগঞ্জ
    ইমেইল- sonardesh24.corr@gmail.com
    মোবাইল : 01324 977 175, 01716-076444




    Copyright © 2026 - All right reserved by Sonar Desh 24 Ltd