শনিবার, ১৫ই আগস্ট,
২০২৬

  • অর্থনীতি

  • বন্ধ চিনিকল চালু করে উৎপাদন বাড়ানো হবে : বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান


    সোনারদেশ ২৪ ডেস্ক


    শনিবার, ১৫ই আগস্ট,

    ২০২৬

    /

    2 বার পড়া হয়েছে


    a

    সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ


    বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শামছুজ্জামান সুরুজ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় চিনি শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো দেশের সব কারখানার চাকা সচল রাখা।

    সেই আলোকে বন্ধ থাকা সরকারি সব চিনিকল পর্যায়ক্রমে চালুর মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনীতিকে আরো স্বনির্ভর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে করপোরেশনটির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

    এ ক্ষেত্রে চিনি কলগুলোর সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, চিনিকল শুধু চিনি উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, বরং লাখো আখচাষির জীবিকা, গ্রামীণ অর্থনীতি এবং স্থানীয় সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

    আখচাষিদের উৎসাহিত করতে আখের দাম ও প্রণোদনা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত অর্থবছরে প্রতি কুইন্টাল আখের দাম ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২৫ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে চাষিদের প্রণোদনার পরিমাণ ৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ কোটি টাকা করা হয়েছে।

    এসব মিল হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং আশপাশের রাস্তাঘাট উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়া চিনিকলগুলো জ্বালানি সাশ্রয়েও ব্যাপক ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে শামছুজ্জামান সুরুজ বলেন, রাষ্ট্রীয় জ্বালানি ব্যবহার করে কারখানা পরিচালনা করলে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ লাখ টাকা জ্বালানি ব্যয় হতো। কিন্তু নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে এ ব্যয় কমানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে আখের ছোবড়া বা ব্যাগাস ব্যবহার করে ‘কো-জেনারেশন’ পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান চাষিদের দ্রুত অর্থ পরিশোধের বিষয়ে বলেন, মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে একটি পাইলট প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে আখের ওজন সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চাষির মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। আগে কয়েকটি টেবিল ঘুরে অর্থ পেতে যে সময় লাগত, এখন ডিজিটাল ব্যবস্থায় তা তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। পাশাপাশি সফটওয়্যারের মাধ্যমে চাষিদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও চাষাবাদসংক্রান্ত পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি চিনিকলগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এজন্য এ চিনি শিল্পকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও স্বনির্ভর শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    তিনি পরিবেশ সুরক্ষায় আখের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে বিএসএফআইসি বছরে প্রায় ৬৬ হাজার ৪৫ টন কার্বন শোষণে অবদান রাখছে। এছাড়া ১০টি আখের ঝাড় একটি বড় বটগাছের সমপরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করতে পারে। কাজেই চিনি শিল্পকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও স্বনির্ভর শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে বিএসএফআইসি তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

    শামছুজ্জামান সুরুজ বলেন, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও স্বনির্ভর চিনি শিল্প গড়ে তুলতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ খাতকে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তিতে পরিণত করে তুলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।






    সংবাদটি শেয়ার করুন


    সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জিয়াউল হক
    নির্বাহী সম্পাদকঃ মোস্তাক আহম্মেদ নওশাদ


    যোগাযোগ- মুজিব সড়ক, কমিউনিটি হাসপাতাল ৫ তলা, সিরাজগঞ্জ
    ইমেইল- sonardesh24.corr@gmail.com
    মোবাইল : 01324 977 175, 01716-076444




    Copyright © 2026 - All right reserved by Sonar Desh 24 Ltd