সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

গত বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের দরিয়াবাজ গ্রামের কুইট্টা খাওয়ার দাইড় এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন আলিমকে পিটিয়ে জখম করে। ওইদিন রাত ৯টার দিকে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।

সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (০৬ মার্চ) সন্ধ্যায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শনিবার (০৭ মার্চ) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত আলিম দরিয়াবাজা গ্রামের হানিফ তালুকদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি-জমা নিয়ে আলিমের সঙ্গে ওই এলাকার অনেকের বিরোধ ছিল। অতীতে এ নিয়ে বহুবার মারামারির ঘটনা ঘটেছে। দুই মাস আগে দরিয়াবাজ গ্রামের নায়েব আলী, সাহেব আলী ও আব্বাছ আলীর বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ওই গ্রামের জয়নাল ও চান্দুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘর পোড়ানোর ঘটনায় জয়নাল ও চান্দুর বিপক্ষে অবস্থান ছিল আলিমের।

আলিমের স্বজনরা জানায়, ঘর পোড়ানোর মামলায় জয়নাল ও চান্দু গ্রেফতারের প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন কুইট্টা খাওয়ার দাইড় এলাকায় আলিমকে খবর দিয়ে যায়। সেখানে তাকে পিটিয়ে জখম করে জয়নাল ও চান্দু পক্ষের লোকজন। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।

এদিকে, শনিবার বিকেলে সিলেট থেকে আলিমের মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা প্রাঙ্গণে এনে রাখা হলে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে থানার আঙিনা। এই নৃশংস হত্যার বিচার দাবি করে বিক্ষোভ নিয়ে থানায় আসে গ্রামবাসী।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান জানান, আলিম হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত স্বজনদের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় আব্দুল আলিম তালুকদার নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের দরিয়াবাজ গ্রামের কুইট্টা খাওয়ার দাইড় এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন আলিমকে পিটিয়ে জখম করে। ওইদিন রাত ৯টার দিকে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।

সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (০৬ মার্চ) সন্ধ্যায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শনিবার (০৭ মার্চ) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত আলিম দরিয়াবাজা গ্রামের হানিফ তালুকদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি-জমা নিয়ে আলিমের সঙ্গে ওই এলাকার অনেকের বিরোধ ছিল। অতীতে এ নিয়ে বহুবার মারামারির ঘটনা ঘটেছে। দুই মাস আগে দরিয়াবাজ গ্রামের নায়েব আলী, সাহেব আলী ও আব্বাছ আলীর বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ওই গ্রামের জয়নাল ও চান্দুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘর পোড়ানোর ঘটনায় জয়নাল ও চান্দুর বিপক্ষে অবস্থান ছিল আলিমের।

আলিমের স্বজনরা জানায়, ঘর পোড়ানোর মামলায় জয়নাল ও চান্দু গ্রেফতারের প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন কুইট্টা খাওয়ার দাইড় এলাকায় আলিমকে খবর দিয়ে যায়। সেখানে তাকে পিটিয়ে জখম করে জয়নাল ও চান্দু পক্ষের লোকজন। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।

এদিকে, শনিবার বিকেলে সিলেট থেকে আলিমের মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা প্রাঙ্গণে এনে রাখা হলে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে থানার আঙিনা। এই নৃশংস হত্যার বিচার দাবি করে বিক্ষোভ নিয়ে থানায় আসে গ্রামবাসী।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান জানান, আলিম হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত স্বজনদের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।