লাইফস্টাইল ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

করোনা সংক্রমিত কোনো ব্যক্তির কথা থেকে আসা জলীয় কণার মাধ্যমে আরেক জনের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে বলে এক গবেষণায় এ তথ্য পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা।

গতকাল বুধবার তাদের এ গবেষণা বিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।

এএফপির খবরে জানানো হয়, নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, শব্দ করে কথা বলার সময় মুখ থেকে বের হওয়া অতি ক্ষুদ্র জলীয় কণা বা মাইক্রোড্রপলেটস বদ্ধ স্থানে ১০ মিনিটেরও বেশি সময় বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। কোভিড–১৯ ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ডায়াবেটিকস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজের (এনআইডিডিকে) একজন গবেষক বলেন, প্রতি মিনিট উচ্চস্বরে কথা বলার ফলে এক হাজারেরও বেশি ভাইরাসযুক্ত জলীয় কণা বের হতে পারে। একটি বদ্ধ স্থানে তা আট মিনিট বা তার বেশি সময় ধরে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে।

গবেষকরা বলছেন, শব্দ করে কথা বলায় মুখ থেকে নিঃসৃত জলীয় কণার মাধ্যমে ভাইরাস বাতাসে ভেসে লোকজনকে সংক্রমিত করতে পারে। এপ্রিলে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষক দলের আরেকটি নিবন্ধে বলা হয়, আস্তে কথা বললে মুখ থেকে জলীয় কণা তুলনামূলকভাবে কম বের হয়।

দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় যে ৬০০ সুস্থ স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেবেন তাদের মধ্যে অর্ধেকের বয়স ১৮ থেকে ৫৫ এর মধ্যে। আর বাকিদের বয়স হবে ৫৫ বছরের বেশি। দৈবচয়নের মাধ্যমে এক গ্রুপকে মর্ডানার পরীক্ষামূলক টিকা দেওয়া হবে। তারপর অপেক্ষা করা হবে এর ফলের জন্য।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের বরাতে টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তাদের ধারণা শিগগিরই কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস)-এর প্রকোপ শেষ হবে না। টিকার সহায়তায় এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী ও বিপুল পরিমাণ মানুষের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হবে।