বিনোদন ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

ক্যারিয়ার যখন মধ্যগগণে, তখনই  ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমায় সালমান খানের সঙ্গে ডেটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। বি-টাউনে তখনও সেভাবে জমি পাকাতে পারেননি ঐশ্বর্য। অন্যদিকে সালমান বেশ প্রতিষ্ঠিত।

সালমান এই রিলেশনের আগে সোমি আলির সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। তাদের দুজনের ঘনিষ্ঠতা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারেননি সোমি। অগত্যা সালমানকে ছেড়ে বিদেশে চলে যান সোমি। ঐশ্বর্যও সেই শূন্যস্থান আরও তাড়াতাড়ি ভরাট করে দিয়েছিল।

সালমানের পরিবারের সঙ্গেও ভাল সম্পর্ক হয় ঐশ্বর্য। একদিকে মিডিয়াতে তখন তাদের প্রেম খবরে উত্তাল আর অন্যদিকে ঐশ্বর্যকে বি-টাউনে প্রতিষ্ঠিত করতে উঠে পড়ে লাগেন সালমান।

এর মাঝে এক পার্টিতে সুভাষ ঘাই ঐশ্বর্যা নিয়ে এমন কিছু বলেছিলেন যার কারণে সুভাষকে চড় মারেন সালমান।

নিজের হাতে বি-টাউনে ঐশ্বর্যাকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের অনেকটাই নিজের ভেবে নিয়েছিলেন তাকে। আর তখই হরিণ শিকার মামলায় নাম জড়ায় ভাইজানের। এর মধ্যে প্রাক্তন প্রেমিকা সোমিকে নিয়ে নানা জল্পনা শোনা যায়।

তারপর থেকেই মদের প্রতি আসক্তি আর ঐশ্বর্যর প্রতি অধিকার ফলানো শুরু হয় সালমানের। নিজেদের পাগলপান্তির জন্যই বারবার শিরোনামে আসে তাদের বহুলচর্চিত প্রেম।

একবার একটি অনুষ্ঠানে সানগ্লাস পরে পুরস্কার নিতে ওঠেন ঐশ্বর্য। যা দেখে অনেকেরই খটকা লাগে। ঐশ্বর্য বলেছিলেন চোখে ইনফেকশন হয়েছে। কিন্তু বলি মহলের অন্দরে অন্য কোথা শোনা যাচ্ছিল। সালমান নাকি অকারণেই তার গায়ে হাত দিয়েছিলেন। প্রথমে স্বীকার না করলেও পরে মেনে নিয়েছিলেন ঐশ্বর্য।

একবার নয়, একাধিকবার  শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ঐশ্বর্য। যদিও সালমান একথা আজও স্বীকার করেননি।

ঐশ্বর্য নিজেও আর এই সম্পর্ক রাখতে চাননি। এমনকী তার পরিবারও সালমনাকে মেনে নেয়নি।   ‘কুছ না কাহো’ ছবির সেটে গিয়েও অসভ্য আচরণ করেছিলেন সালমান। ছবিতে ঐশ্বর্যর বিপরীতে অভিষেককেই দেখা গিয়েছিল।

তারপরই বলি অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে তার নাম জড়ায়। যদিও সেই সম্পর্কও বেশিদিন টেকেনি। সল্লু ভাই নাকি বিবেককেও হুমকি দিয়েছিল।