ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ সোনারদেশ২৪:

তার প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি আর কাশি হয়েছিল। তবে তা গোপন করেছিলেন। কাউকে কিছু না বলে তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে আসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাণীখার গ্রামে বৃহস্পতিবার ভোরে জ্বর, সর্দি নিয়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়। মৃত শিপন বেগম (৫০) ওই গ্রামের হামদু মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, ১ এপ্রিল শিপন বেগম নারায়ণগঞ্জ থেকে অসুস্থতা নিয়ে রাণীখার গ্রামে আসেন। সাত-আট দিন ধরে তার শরীরে প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি ও কাশি ছিল। তবে ওই নারী কাউকে কিছু বলেননি। বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার রেইনা জানান, ‘ওই নারীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হবে।’

জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. একরামউল্লাহ জানান, ‘মৃতের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ করা হবে।’

তার প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি আর কাশি হয়েছিল। তবে তা গোপন করেছিলেন। কাউকে কিছু না বলে তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে আসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাণীখার গ্রামে বৃহস্পতিবার ভোরে জ্বর, সর্দি নিয়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়। মৃত শিপন বেগম (৫০) ওই গ্রামের হামদু মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, ১ এপ্রিল শিপন বেগম নারায়ণগঞ্জ থেকে অসুস্থতা নিয়ে রাণীখার গ্রামে আসেন। সাত-আট দিন ধরে তার শরীরে প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি ও কাশি ছিল। তবে ওই নারী কাউকে কিছু বলেননি। বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার রেইনা জানান, ‘ওই নারীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হবে।’

জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. একরামউল্লাহ জানান, ‘মৃতের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ করা হবে।’