সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরবিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
গণমাধ্যমের স্বরকে নিস্তব্ধ করার জন্যই সরকার একের পর এক কালো আইন প্রণয়ন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন এবং ওই পত্রিকার রিপোর্টার সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার (২৯ জুন) এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে নব্য বাকশালী শাসনকে চিরস্থায়ী রূপ দেওয়ার অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের নীল-নকশার অংশ হিসেবে দেশের সংবিধান স্বীকৃত স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকারকে ভুলুণ্ঠিত করতেই দেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন এবং ওই পত্রিকার রিপোর্টার সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব।

তিনি বলেন, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিক জগতের নির্ভীক কণ্ঠস্বর এ এম এম বাহাউদ্দিনসহ রিপোর্টার সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত। গণমাধ্যমের স্বরকে নিস্তব্ধ করার জন্যই একের পর এক কালো আইন প্রণয়ন করেছে সরকার।

ফখরুল বলেন, এ এম এম বাহাউদ্দিন সাহেবের মতো দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় সম্পাদকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে সরকার প্রমাণ করলো যে, তারা গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য কবরস্থ করতে চায়। এ এম এম বাহাউদ্দিনের সত্য ও ক্ষুরধার লেখনীকে বন্ধ করার জন্য তাকে ভয় দেখাতেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা নিঃসন্দেহে সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের ইশারাতেই হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বিবৃতিতে গণমাধ্যমের ওপর জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করে মহান স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা গণতন্ত্র এবং স্বাধীন মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অবিলম্বে এ এম এম বাহাউদ্দিন এবং সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।

অপর এক বিবৃতিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন এবং ওই পত্রিকার রিপোর্টার সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলাকে অন্যায়, অন্যায্য ও চক্রান্তমূলক বলে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।