বেড়েছে মুরগির দাম, কমেছে গরুর মাংসের

40

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির। তবে বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৩০ টাকা কমে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া দাম কমেছে ডিম ও সবজিরও। অন্যদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে ভোজ্যতেল, চাল, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।

শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার, মিরপুর-১ নম্বর বাজার, ২ নম্বর বাজার, ৬ নম্বর বাজার, ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কলোনি বাজার, কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পাঁচ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে প্রতি এক কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, শালগম বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, করলার ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৬০ টাকা, পাকা টমেটো ৭০ টাকা, কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতিটি লাউয়ে ১০ টাকা দাম বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, ১০ টাকা কমে বাঁধাকপি ২০ টাকায় এবং ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

হালিতে পাঁচ টাকা কমে কলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়, জালি কুমড়া ৩০ টাকা, ছোট মিষ্টি কুমড়া প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। দাম কমেছে নতুন আলু ও পেঁয়াজের। কেজিতে পাঁচ টাকা কমে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়, নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি দরে, পুরানো দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, ১০ টাকা দাম কমে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকায়, পায়জাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, মিনিকেট প্রকারভেদে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়, নাজিরশাইল ৬৫ টাকায়, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, খোলা ভোজ্যতেল লিটার বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

ডিমের দাম ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৬০ টাকায়, ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। ১০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সোনালী বা কক ১৯০ ও ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।

এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে চিনি, চাল, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায়, বকরির মাংস ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকায়, গরুর মাংসের দাম ৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকায়, মহিষ ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায়।

সব বাজারে কেজিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায়, মাগুর মাছ ১২০ থেকে ৬০০ টাকায়, মৃগেল ১৭০ থেকে ২৫০ টাকায়, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ২০০ টাকায়, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১,২০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকায়, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়, পোয়া মাছ ২৫০ থেকে ৩২০ টাকায়, পাবদা মাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, টাটকিনি মাছ ৩০০ টাকায়, তেলাপিয়া ১০০ টাকায়, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়, কৈ মাছ ১৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, মিরর কার্প ১৬০ থেকে ২০০ টাকায়, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, ছোট বেলে ১২০ টাকায়, রূপচাঁদা মাছ কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়, আইড় মাছ ৫০০ টাকায়, রিঠা মাছ ২২০ টাকায় ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুসলিম বাজারের ডিম বিক্রেতা মো. সুমন বলেন, ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। এখন লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে নতুন বছরে বাজারে দাম বাড়তে পারে। পরিবেশ ও পরিহনের কারণে ডিমের দাম বৃদ্ধি পাবে।

You might also like