কান কেটেছেন, এবার নাক কাটতে চান তিনি

23

অন্য দুনিয়া ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

সময়ের সঙ্গে শরীরে ট্যাটু আঁকা তরুণ-তরুণীদের মাঝে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। শোবিজ থেকে ক্রীড়াঙ্গণের অনেকেই শরীরে ট্যাটু এঁকে থাকেন।

আবার সাধারণ মানুষেরও শরীরে ট্যাটু আঁকার ঝোঁক রয়েছে। আবার কেউ কেউ এ বিষয়ে আসক্ত। ট্যাটুর প্রতি আসক্তি অনেকের থাকলেও জার্মানির স্যান্ড্রো একেবারেই আলাদা। কারণ তিনি শুধু শরীরে ট্যাটু এঁকেই লুকের পরিবর্তন করেননি, বরং শরীরে ১৭টি প্রতিস্থাপন করিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিরর অনলাইন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এ পর্যন্ত স্যান্ড্রো তার শরীরের ১৭টি স্থানে প্রতিস্থাপন করিয়েছেন। এর মধ্যে হলো—কপাল, হাতের অগ্রভাগ, জিহ্বা প্রভৃতি। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো তিনি তার দুটি কানই কেটে ফেলেছেন। এটি গত বছর করেছেন। এখন স্যান্ড্রো পরিকল্পনা করেছেন, তার নাকের ডগা কেটে ফেলার এবং আইবল ট্যাটু আঁকার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্যান্ড্রো ‘মি. স্কাল ফেস’ নামে পরিচিত। কেউ কেউ তাকে অসুস্থ বলেন। তবে স্যান্ড্রো গোঁ ধরেছেন, মানুষ তাকে যতই অসুস্থ বলুক তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। বরং শরীর রূপান্তর করার ক্ষেত্রে তার আরো আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে।

স্যান্ড্রো সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন—২০০৭ সালে টেলিভিশনে এক ব্যক্তিকে দেখি, যার মাথার চুল স্পাইক করা ছিল। বিষয়টি আমার ভালো লেগেছিল। তারপর গত ১৩ বছরে আমার শরীরে অনেক পরিবর্তন এনেছি। মানুষ আমাকে নিয়ে প্রচুর বাজে মন্তব্য করে। অনেকে পাগল বলেও ডাকে।

বন্ধুরা বিষয়টি কীভাবে দেখে? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্যান্ড্রো বলেন— শরীরের এই পরিবর্তনের বিষয়ে বন্ধুরা অনেক কথা বলেছে। বিশেষ করে যখন আমার কান কেটে ফেলি। কিন্তু আমি এমনই এক ব্যক্তি যে নিজের পছন্দমতো চলি। মানুষ আমার দিকে তাকালে, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। কেউ যদি আমাকে ‘পাগল’ বা অন্য কোনো বাজে মন্তব্য করে তখন বলি, ‘ধন্যবাদ’।

৩৯ বছর বয়েসি স্যান্ড্রোর এমন ‘পাগলামি’ দেখে কেউ যদি তাকে অনুসরণ করতে চান, তবে তাদেরকে সতর্ক করেছেন তিনি। স্যান্ড্রো বলেন—এই বিষয়ে আপনি যদি নতুন হন, তবে আরো গবেষণা করুন। আরো সময় নিন এবং এ বিষয়ে ভাবুন।

You might also like