শিরোনাম:

‘শিশুবক্তা’ দুই দিনের রিমান্ডে

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বন্দুক হামলা, নিহত ৮

মিয়ানমারে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন

অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে লকডাউনের বিধিনিষেধ না মানায় ৪০ জনের জরিমানা

শীতকালে পাতে রাখুন স্বাস্থ্যকর খাবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৫, ২০২০

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

ঘন কুয়াশার দাপটে প্রকৃতিতে এখন শীতের রাজত্ব। আর শীতকালে ঠাণ্ডাজনিত রোগসহ অল্পতেই নানা রোগ ছোবল বসায় দেহে। তাই এই সময়ে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চাই স্বাস্থ্যকর সব খাবার।

শীতকালে আমাদের শরীরের তাপমাত্রার তুলনায় পরিবেশের তাপমাত্রা কম থাকে, তাই তাপ আমাদের শরীর থেকে পরিবেশে প্রবাহিত হয়, এবং আমরা ঠান্ডা অনুভব করি। এ জন্য আমাদের এমন কিছু খাবার খেতে হবে যা আমাদের শরীরকে শীতকালেও গরম রাখতে সাহায্য করবে। জেনে নিন শীতকালের স্বাস্থ্যকর কিছু খাবার সম্পর্কে যা শরীর গরম রাখে-

মধু

মধুতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল ও আন্টি অক্সিড্যান্ট যা আমাদের ইমিউনিটি বজায় রাখে, দেহে তাপ উৎপাদনে সাহায্য করে, কোল্ড ও ফ্লু এর থেকে রক্ষা করে। সর্বোপরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

তুলসী ও আদা

শীতের সকালে তুলসী পাতা আর আদা দেওয়া চায়ের স্বাদই আলাদা। এছাড়া আদা ও তুলসী দেহে থার্মোজেনেসিস প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে, হজমশক্তি বাড়ায়, ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ায়, তাই শীতকালে তুলসী-আদা চা যেন বাদ না যায় প্রতিদিনের ডায়েট থেকে।

ঘি

ঘি শুনেই কি ওজন বৃদ্ধির ভয় পাচ্ছেন? তাহলে ঝেড়ে ফেলে দিন সেই ভয়, কারণ ঘি সারাবছরের সুপার ফুড। প্রতিদিন অল্প পরিমাণ ঘি খেলে রক্তে গুড কোলেস্টেরল তৈরি হয়, যা হার্টকেও ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া দৈহিক তাপমাত্রা বজায় রাখা, হজমশক্তি বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখা, পেশির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করে দেয়। এ কারণে ঘির জুড়ি মেলা ভার।

গুড়

প্রচুর আয়রন, এনার্জির উৎস ছাড়াও গুড় কিন্তু হজমশক্তিও বৃদ্ধি করে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারাও কিন্তু নির্ভয়ে গুড় খেতে পারেন। শীতে শরীরকে গরম রাখতে জুড়ি নেই গুড়ের।

দারুচিনি

প্রতিদিন দারুচিনি খেলে দেহে মেটাবলিজম বাড়ে। গরম জল বা রান্নায় মশলা হিসাবে যে কোনো ভাবেই খাওয়া যেতে পারে দারুচিনি।

কেশর

কেশর ও কিন্তু শীতে দেহ তাপমাত্রা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অব্যর্থ দাওয়াই। কেশর খনিজতে সমৃদ্ধ, এছাড়াও রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম।

সিসেম বা তিল

মিনারেল ও আন্টি অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ তিলের কিন্তু অত্যন্ত ভালো ক্ষমতা রয়েছে নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করার। দৈহিক তাপমাত্রা ও বজায় থাকে এতে।

গরম স্যুপ

মিনারেল ও ভিটামিন সমৃদ্ধ যে কোনো গরম স্যুপ কিন্তু শীতের সন্ধ্যার স্ন্যাকস হতেই পারে। এমনকি ডিনারের জন্যেও খুবই ভালো। এতে চিকেন বা সয়াবিন যোগ করলেই একটা কমপ্লিট নিউট্রিশন ব্যাংক পেয়ে যাবেন।

ড্রাই ফ্রুটস

আমন্ড, আখরোট, খেজুর ইত্যাদি দেহে তাপ উৎপাদন ছাড়াও প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ অধিক ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেলস থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ইমিউনিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কলা

কলা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ যা দেহে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের কার্যক্ষমতা বজায় রাখে। এই থাইরয়েড গ্ল্যান্ডই কিন্তু প্রধানত দেহে তাপমাত্রা বজায় রাখে।

ডিম

ডিম কে বলা হয় পুষ্টির পাওয়ার হাউস, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল সমৃদ্ধ এই খাদ্যটি একদিকে যেমন দেহ তাপমাত্রা বজায় রাখে তেমনই অন্যদিকে ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেহে ইমিউনিটি রক্ষায় সাহায্য করে।

হোল গ্রেন সিরিয়ালস

ফাইবার যুক্ত শস্যদানাগুলি কিন্তু দেহ তাপমাত্রা বজায় রাখতে অনবদ্য, কারণ এগুলি ডাইজেস্ট হতে বেশ বেশি সময় লাগে তাই থার্মোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
  • সর্বাধিক পঠিত