বাংলাদেশে না ফেরার সিদ্ধান্ত প্রিয়া সাহার

বাংলাদেশ সম্পর্কে নালিশের পর দেশে-বিদেশে প্রিয়া সাহাকে নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। প্রিয়ার নালিশের পক্ষে বিপক্ষে অনেকেই মত দিয়েছেন। এজন্য তার নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সহসাই বাংলাদেশে না ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রিয়া সাহার ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, এই মুহূর্তে প্রিয়া সাহা ওয়াশিংটন ডিসিতে রয়েছেন। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার বা হয়রানির বদলে সরকার নিরাপত্তা দেবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন তা বিশ্বাসযোগ্য হয়নি। ফলে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় আশ্রয়ের জন্য আবেদন করবেন। আপাতত গণমাধ্যম কর্মী কিংবা অপরিচিত কারো সঙ্গেই দেখা করছেন না। এমনকি মোবাইল ফোনেও কারো সঙ্গে কথা বলছেন না।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত করেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এই নেতা। সাক্ষাতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে পড়েন প্রিয়া সাহা।

বাংলাদেশ থেকে তিন কোটি ৭০ লাখ ধর্মীয় সংখ্যালঘু ‘ডিসঅ্যাপিয়ার্ড’ বা দেশান্তরিত হয়েছে। অনেকে ‘ডিসঅ্যাপিয়ার্ড’ শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ ‘গুম’ উল্লেখ করে ওই বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন। একপর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা। তার ওই বক্তব্যে বাংলাদেশে এখনও সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, প্রিয়া সাহা তার বক্তব্যের একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যেখানে তিনি নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা বলেছেন। একজন সাংবাদিককে প্রিয়ার সাক্ষাৎকার দেওয়ার একটি ভিডিও গত রোববার তার এনজিও শারি’র ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়। সেখানেই বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি নিজের ব্যাখ্যাগুলো তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তার দেওয়া বক্তব্য সঠিক বলে দাবি করেন তিনি।