তামিম-ইমরুলদের মনে করিয়ে দিলেন রোহিত-এলগাররা

ক্রীড়া ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪:

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ২০১৫ সালের খুলনা টেস্টের কথা মনে আছে নিশ্চয়? যেখানে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের রেকর্ড জুটিতে ম্যাচ বাঁচিয়েছিল বাংলাদেশ।

চার বছর আগের সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা বিশাখাপত্তনম টেস্ট। সিরিজের প্রথম এই টেস্টে ভারতের দুই ওপেনারই খেলেছেন দেড়শ ছাড়ানো ইনিংস। প্রথম ইনিংসে মায়াঙ্ক আগারওয়াল করেছেন ২১৫, রোহিত শর্মা ১৭৬।

দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার ডিন এলগারও খেলেছেন দেড়শ ছাড়ানো ইনিংস। শুক্রবার টেস্টের তৃতীয় দিন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে এলগার আউট হয়েছেন ১৬০ রানে।

১৪২ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এই নিয়ে মাত্র চতুর্থবার কোনো টেস্টে ওপেনারদের তিনটি ১৫০ বা এর বেশি রানের ইনিংস দেখা গেল। রোহিত-এলগাররা মনে করিয়ে দিলেন তামিম-ইমরুলদের। সবশেষ এমনটা ঘটেছিল যে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ২০১৫ সালের খুলনা টেস্টে।

সেবার পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে ওপেনিংয়ে নেমে ২২৪ রান করেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে দুই ওপেনার তামিম ২০৬, ইমরুল করেছিলেন ১৫০ রান।

টেস্টের চার সেশন বাকি থাকতে ২৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে নেমে তামিম, ইমরুল ও সাকিবের দারুণ তিনটি ইনিংসে ম্যাচ ড্র করেছিল বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-ইমরুল যোগ করেছিলেন ৩১২ রান। যা টেস্টের তৃতীয় বা চতুর্থ ইনিংসে উদ্বোধনী জুটিতে বিশ্ব রেকর্ড।

কোনো টেস্টে ওপেনারদের তিনটি ১৫০ বা এর বেশি রানের ইনিংসের অন্য দুটি ঘটনা ২০০৩ সালে ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা এজবাস্টন টেস্টে ও ১৯৪৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড জোহানেসবার্গ টেস্টে। অর্থাৎ চারটির তিনটিতেই জড়িয়ে আছে দক্ষিণ আফ্রিকার নাম!

২০০৩ সালে এজবাস্টনে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে দুই ওপেনার গ্রায়েম স্মিথ ২৭৭ ও হার্শেল গিবস ১৭৯ রান করেছিলেন। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ১৫৬ রান করেছিলেন মাইকেল ভন।

আর ১৯৪৮ সালে জোহানেসবার্গে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার লেন হাটন ও সিরিল ওয়াশব্রুক প্রথম ইনিংসে করেছিলেন যথাক্রমে ১৫৮ ও ১৯৫ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১৫৬ রান করেছিলেন ওপেনার এরিক রোয়ান।