শিরোনাম:

আজকের রাশি। ১২ মে

উৎসব ভাতা থেকে বঞ্চিত ৭০ ভাগ সাংবাদিক

কোভিডের চিকিৎসায় আইভারমেক্টিন ব্যবহারে সতর্ক করল হু

গাড়ির কাঁচ ভেঙে বাঁচার আকুতি জানালেও কেউ এগিয়ে আসেনি

রাশিয়ার স্কুলে বন্দুক হামলা, নিহত ১১

আমাদের পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার নীল নকশা হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : এপ্রিল ২৫, ২০২১

শেয়ার করুন

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌর মেয়র কাদের মির্জা বলেছেন, আমাদের পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার নীল নকশা হচ্ছে। সেই নীল নকশা মোতাবেক ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শনিবার  (২৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় নিজের অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক আইডি থেকে ঘণ্টাব্যাপী লাইভে এসে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন ইতোমধ্যে আমি কয়েকবার কোম্পানীগঞ্জে শান্তির জন্য প্রস্তাব দিয়েছি। ১১টা প্রস্তাবনা আমি উপস্থাপন করেছি। কিন্তু তার বিপরীতে আজকে নোয়াখালী ও ফেনীতে আমাদের পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রের একটা নীল নকশা তৈরি করেছে।  সেই নীল নকশা অনুযায়ী ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মেয়র কাদের মির্জা আরও বলেন, নোয়াখালীর এমপি একরামুল করিম চৌধুরী এখন দুবাইতে অবস্থান করছেন। দুবাই যাওয়ার আগে অপরাজনীতির হোতা একরাম, নিজাম দূর্নীতিবাজ সচিব প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন।

সেই বৈঠকে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ওবায়দুল কাদের সহ আমাদের পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরাবেন এবং আমি, আমার ছেলে ও আমার ছোট ভাই শাহাদাতকে তারা হত্যা করবেন। এই পরিকল্পনা নিয়ে নোয়াখালীর একরাম এখানকার বাদলকে (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান) তাদের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেছেন, তোমরা বৈঠক করে তোমাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করো।

তিনি বলেন, বাদল মাদক সম্রাট মঞ্জুর (ওবায়দুল কাদেরের ভাগিনা) বাসায় এখানকার সব অস্ত্রধারীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। তারা বৈঠক করে কানা মঞ্জুকে (ওবায়দুল কাদেরের ভাগিনা) দলের মুখপাত্র করেছেন। সে মুখপাত্র না হওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরও একরামুল চৌধুরী তাকে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার পর তিনি মুখপাত্র হওয়ার সম্মতি দিয়েছেন।

তারপর সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমি, আমার ছেলে ও আমার ছোট ভাইকে হত্যা করা হবে। আর ওবায়দুল কাদেরের রাজনীতি এই নোয়াখালীতে চিরদিনের জন্য নির্বাসনে পাঠাবে। এটার মূল কারণ হচ্ছে, একরাম সাহেবের কাছে খবর এসেছে উনি আর জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি নেই এবং নিজাম হাজারী খবর পেয়েছেন আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে উনি আর মনোনয়ন পাচ্ছেন না।

গত ১৬ জানুয়ারি বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আবদুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি আরও তিনবার মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনের আগে দলীয় নেতাকর্মীদের সমালোচনা করে সারাদেশে আলোচনায় আসেন কাদের মির্জা।

এরপর কাদের মির্জার সঙ্গে তার দলের বিরোধীপক্ষের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ দু’জন নিহত হন। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে আদালতে। গত (৩১ মার্চ) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে তিনি দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এছাড়াও তিনি আর জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করবেন না বলেও ঘোষণা দেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত